নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী জেলা পঞ্চায়েত নামে ই অধিক পরিচিত।জমিদার ন'কড়ির দ্বিতীয় সন্তান নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী ।তিনি ১৯২০ থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।তাহার মূত্যুর পর তার ভাই আশ্রাফ আলী চৌধুরী ১৯২৩ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। নবাব নোয়াব আলী চৌধুরীর ছেলে ইদ্রিস আলী ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
! এই ওয়েব সাইটটি সপ্রসারনের জন্য তথ্য প্রয়োজন । তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন এবং সংশোধনের সুযোগ দিবেন।
নবাব স্যার নোয়াব আলী চৌধুরী ঃ
নবাব স্যার নোয়াব আলী চৌধুরী |
|
|---|---|
|
নবাব স্যার নোয়াব আলী চৌধুরী ঃতিনি একজন ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা সমাজকর্মী ও জমিদার ছিলেন। মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার অন্তর্গত কদমতুলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। গজারিয়া কুমিল্লা -ত্রিপুরা জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিলো।তিনি ত্রিপুরা জেলা পঞ্চায়েত ছিলেন। |
|
| ত্রিপুরা-বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা পঞ্চায়েত বোর্ড (সহ-সভাপতি) | |
|---|---|
| কাজের মেয়াদ | ১৮৭০/১৮৮৬---১৯২৩ |
| ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট | |
|---|---|
| কাজের মেয়াদ | ১৯২০--১৯২৩ |
| ব্যাক্তিগত বিবরণ | |
|---|---|
| জন্মঃ | কদমতুলি, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ (দাউদকান্দি, ত্রিপুরা-বৃহত্তর কুমিল্লা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত) |
| নাগরিকত্ব ঃ | ব্রিটিশ ভারত |
| বর্তমান ঃ | বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক দলঃ | সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ |
| পরিচিতির কারণঃ | জেলা পঞ্চায়েত, জমিদার, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন |
| আত্মীয় ঃ | আশ্রাফ আলী চৌধুরী (ভাই),নবাব আব্দুল জলিল (ভাতিজা) |
| মৃত্যুঃ | ১৯২৩ |
প্রারম্ভিক জীবন ঃ
রাজনৈতিক জীবন ঃ
নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী জমিদার ছিলেন।তিনি ১৮৭০/১৮৮৬ সাল থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত ত্রিপুরা (বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার প্রথমে পঞ্চায়েত প্রধান এবং পরে পঞ্চায়েত ছিলেন।১৮৮৬ সালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রধান হলে তিনি পঞ্চায়েতদের থেকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি পোশাকদারী ছিলেন।তিনি গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ১৯২০ সাল থেকে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত। পরে তাহার ভাই ১৯২৩ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৩০ থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত তাহার ভাতিজা আব্দুল জলিল ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হন। নবাব নোয়াব আলী চৌধুরীর ছেলে ইদ্রিস আলী ১৯৩৪ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।নবাব নোয়াব আলীর ভাতিজা সোনা মিয়া মাস্টার ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ইউনিয়নের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
সম্মাননা ও স্মারকঃ
নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক "নাইট" উপাধি ও "নবাব" উপাধিতে ভুষিত হয়েছিলেন।
গজারিয়া উপজেলার ইতিহাস
প্রাচীনকালে বিক্রমপুর ছিল এক বিশাল এলাকার নাম। মুঘল যুগে বিক্রমপুরের আয়তন ছিল ৯০০ বর্গমাইল। বৃটিশ শাসনামলে বিক্রমপুরকে আরো ছোট করা হয়। তখন বিক্রমপুরের আয়তন দাড়ায় ৪৮৬ বর্গ মাইল। সমগ্র মুন্সীগঞ্জ জেলা, মাদারীপুর জেলা, শরীয়তপুর জেলা, ফরিদপুরের পূর্বাংশ, নারায়ণগঞ্জ সদর, ঢাকার দোহার, নবাবগঞ্জ ও চাঁদপুরের পশ্চিমাংশ বিক্রমপুরের অন্তর্গত ছিল।
অর্থাৎ ঢাকার শ্যামপুর থেকে বরিশালের উত্তর সীমান্ত পর্যন্ত ভূ-ভাগই প্রাচীন বিক্রমপুর নামে অবহিত হতো। উত্তর নিরক্ষরেখার ২৩ ডিগ্রী ১৪ ইঞ্চি থেকে ২৪ ডিগ্রী ২৮ ইঞ্চি কলার মধ্যে, পূর্ব দ্রাঘিমা ৮৯ ডিগ্রী ৪৫ ইঞ্চি ও ৯০ ডিগ্রী ৫৬ ইঞ্চি কলার মধ্যে বিক্রমপুর অবস্থিত।
বিক্রমপুর মূলত দশম শতকের শুরু থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ (আনুমানিক ৯০০-১২৮০ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত বঙ্গ তথা বাংলাদেশ, ভারত, নেপালের রাজধানী ছিল । এটি প্রাচীন বাংলার চন্দ্র, বর্মন এবং সেন রাজবংশের অন্যতম প্রধান রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল । বর্তমানে এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার একটি অংশ। ঢাকার শ্যামপুর থেকে বরিশালের উত্তর সীমানা এবং চাঁদপুরের কিছু অংশ তথা নদীর সাথে সম্পর্কিত কিছু অংশ পর্যন্ত বিক্রমপুর ছিলো।
ঐতিহাসিক ভাবে খুব ই গুরুত্বপূর্ণ এটি। বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি ও রাজনীতির একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল।ভৌগোলিক ভাবে বিক্রমপুর প্রাচীনকাল থেকেই নদীমাতৃক এলাকা, যা বিভিন্ন সময়ে নদীপথ পরিবর্তনের সাক্ষী।
তখন গজারিয়া ও মেঘনা ছিলো একটি চর অঞ্চল মাত্র।
১২৮০ সালের শুরুর দিকে রাজধানী সুবর্ণগ্রামে (সোনারগাঁও) স্থানান্তরিত হলে বিক্রমপুরের রাজধানী হিসেবে যুগের সমাপ্তি ঘটে। তখন রাজধানী এলাকার একটি পরগনা ছিলো বিক্রমপুর।তখন এর অধিভুক্ত ছিলো বাংলাদেশ, ভারত,মিয়ানমার (আরাকান) এবং নেপাল।
তারপর মুঘলদের শাসন আমলে সুবেদার নিয়োগ।
এই দিকে বাংলার বারো ভুঁইয়ারা মুঘলদের বিরোধিতা করে সোনারগাঁও এ পূনরায় বাংলার রাজধানী করা হয়।
আওরঙ্গজেবের রাজত্বকাল শেষে নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর সময়ে বিক্রমপুরকে ৮ টি তালুকে বিভক্ত করা হয়, এগুলো ছিলঃ ভাগ্যকুল, শ্রীনগর, মাইঝপাড়া, সিনহাপাড়া, তালতলা, সিরাজদিখান, লৌহজং এবং বালিগাঁও। প্রতিটি তালুকে একজন করে জমিদার ছিলেন।
ঢাকা রাজধানী স্থাপন করা হলে তখন থেকে গজারিয়া ও মেঘনায় মানুষ বসবাস শুরু করেন।
নবাব সিরাজদৌলার পতনের পর বাংলার স্বাধীন নবাবদের পতন হয়।ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চালু হয়।
১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ত্রিপুরা দখল করে। ১৭৬৯ সালে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে কোম্পানী একজন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করে।আর সারা বাংলাকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেন শাসন ব্যবস্থা সুন্দর করার জন্য।
তখন বিক্রমপুরকে নদীর কারনে দুটি ভাগ করা হয়।উত্তর বিক্রমপুর এবং দক্ষিন বিক্রমপুর।
১৭২৮ সালে এই অঞ্চলটি ভেঙে রাজনগর ও বৈকুণ্ঠপুর নামে নতুন পরগনা গঠিত হয়েছিল ।
বর্তমানের মুন্সীগঞ্জ জেলাটিই প্রাচীন ও ঐতিহাসিক বিক্রমপুর অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
১৭৭২ সালে কোম্পানীর গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস এদেশে প্রথম আধুনিক জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন। তিনি অধুনা বাংলাদেশকে ১৯টি জেলায় বিভক্ত করে প্রতি জেলায় একজন করে কালেক্টর নিয়োগ করেন। কিন্ত ১৭৭৩ সালে জেলা প্রথা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রদেশ প্রথা প্রবর্তন করে জেলাগুলোকে করা হয় প্রদেশের অধীনস্থ অফিস।
বিক্রমপুর তখন ঢাকা প্রদেশের অধিভুক্ত হয়, দক্ষিন বিক্রমপুর তখন ঢাকা প্রদেশের অধিভুক্ত হলে দক্ষিন ঢাকা নামেও পরিচিতি পায়।
১৭৮৭ সালে পুনরায় জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং এবার বর্তমান বাংলাদেশকে ১৪টি জেলায় ভাগ করা হয়। এ ১৪টির মধ্যেও দক্ষিন বিক্রমপুর তথা দক্ষিন ঢাকা ফতেহাবাদ নামে নতুন জেলার সৃষ্টি হয় এবং যার বর্তমান নাম ফরিদপুর (ফরিদপুর, শরিয়তপুর, মাদারীপুর,রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জে)। বিক্রমপুর তথা মুন্সীগঞ্জ ঢাকা জেলার অধিভুক্ত হয়।
১৮৪৫ সালে মুন্সীগঞ্জ মহকুমায় রূপান্তরিত হয়। তখন মুন্সীগঞ্জ, শ্রীনগর, রাজাবাড়ী ও মুলফতগঞ্জ এ চারটি থানা নিয়ে ১৮৪৫ সালের মে মাসে বা ডিসেম্বর মাসে মুন্সীগঞ্জকে বৃটিশ সরকার মহকুমায় উন্নীত করে।
১৮৬৯ সালে পদ্মার গতি পরিবর্তনে মুন্সীগঞ্জ ছোট হয়ে যায়। অর্থাৎ ১৮৬৯ সালের আগে পদ্মা মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরের ১০০ মাইল পশ্চিম দিয়ে প্রবাহিত হতো। পদ্মা মুন্সীগঞ্জের মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় রাজাবাড়ী গোয়ালন্দ থানার সাথে যুক্ত হয়, তখন গোয়ালন্দ থানার নাম পরিবর্তন করে রাজবাড়ী করা হয়।আর মুলফতগঞ্জ থানা মুন্সীগঞ্জ মহকুমা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে ফরিদপুরের শরিয়তপুর ও মাদারীপুর এর অন্তর্ভূক্ত হয়। রাজাবাড়ী ও মুলফতগঞ্জ থানায় ৪৫৮টি গ্রাম ছিল। পদ্মাই মুন্সীগঞ্জকে ছোট করে দেয়।
দোহার ও নবাবগঞ্জ ১৮৭৪ সালে নবাবগঞ্জ থানা নামে শ্রীনগর থেকে আলাদা হয়।
১৮৮২ সালে মুন্সীগঞ্জ মহকুমা থেকে নারায়ণগঞ্জকে আলাদা থানা গঠন করে এবং কয়েকমাস পর মহকুমা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । এর আগ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ মুন্সীগঞ্জ মহকুমার অন্তর্গত ছিল। ১৯১৪-১৫ সালে বৃটিশ সরকার সিরাজদিখান, ১৯১৫-১৯১৬ লৌহজং এবং ১৯১৮ সালে টংগীবাড়ী থানা বৃদ্ধি করে। ফলে মুন্সীগঞ্জ, শ্রীনগর, লৌহজং, সিরাজদিখান ও টংগিবাড়ী মিলে পাঁচটি থানা করা হয়।
১৮৭০ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জেলা পঞ্চায়েত চালু করার পরিকল্পনা করে ।যারা জমিদার পরিবার থেকে সদস্য পদ লাভ করবে এবং একজন পঞ্চায়েত প্রধান থাকবে। বিক্রমপুর তথা মুন্সীগঞ্জ মহকুমা পরীক্ষামূলক চালু করেন, পরে তা ঢাকা জেলাতে নিয়ে যায় এবং গজারিয়া ও মেঘনা মুন্সিগঞ্জ থেকে বাদ পরে এবং জমিদার নোয়াব আলী চৌধুরী ও বাদ পড়ে।
পরবর্তীতে তিনি ত্রিপুরা(বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার পঞ্চায়েত প্রধান হন।
১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা নামের জেলার সৃষ্টি হয় করা হয়। তৎকালে বর্তমান কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, শাহবাজপুর, হাতিয়া, ত্রিপুরার কিছু অংশ, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও মীরসরাই নিয়ে সমতল অঞ্চল নিয়ে ত্রিপুরা জেলা ও পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে পার্বত্য ত্রিপুরা নামে ভাগ করা হয়, এই জেলার সদর দপ্তর স্থাপিত হয় কুমিল্লায়। ১৮২১ সালে ত্রিপুরা জেলাকে ভাগ করে বর্তমান নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষীপুর নিয়ে ভূলুয়া জেলা গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে নোয়াখালী নামকরণ করা হয়।
কোম্পানীর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। তিনি অধুনা বাংলাদেশকে ১৯টি জেলায় বিভক্ত করে প্রতি জেলায় একজন করে কালেক্টর নিয়োগ করেন। এ ১৯টি জেলার একটি ছিল কলিন্দা। এ জেলাটি গঠিত হয়েছিল মূলতঃ নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে। কিন্ত ১৭৭৩ সালে জেলা প্রথা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রদেশ প্রথা প্রবর্তন করে জেলাগুলোকে করা হয় প্রদেশের অধীনস্থ অফিস। ১৭৮৭ সালে পুনরায় জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং এবার বর্তমান বাংলাদেশকে ১৪টি জেলায় ভাগ করা হয়। এ ১৪টির মধ্যেও ভুলুয়া নামে নোয়াখালী অঞ্চলে একটি জেলা ছিল। পরে ১৭৯২ সালে ত্রিপুরা (বর্তমান কুমিল্লা) নামে একটি নতুন জেলা সৃষ্টি করে ভুলুয়াকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তৎকালে হাতিয়া উপজেলা ব্যতীত নোয়াখালীর মূল ভূখণ্ড, লক্ষ্মীপুর, ফেনী এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ নিয়ে ছিল ভুলুয়া পরগনা। ১৮২১ সাল পর্যন্ত ভুলুয়া (বর্তমান নোয়াখালী) ত্রিপুরা জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৮ সালে ভুলুয়া জেলাকে নোয়াখালী জেলা নামকরণ করা হয়।
১৯৬০ সালে সদর দপ্তরের নামানুসারে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ জেলা প্রশাসক করা হয়।
১৯৭১-এ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালে জেলার সংখ্যা ছিল ১৯ টি। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ মহকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীতকরণের প্রক্রিয়া চালু করেন।
১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠালগ্নে পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা ছিল ১৭ টি। ১৯৬৯-এ ময়মনসিংহ জেলার টাঙ্গাইল মহকুমা ও বরিশাল জেলার পটুয়াখালী মহুকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহের জামালপুর মহুকুমাকে একটি জেলায় উন্নীত করা হয়।
গজারিয়া ও মেঘনা ১৮৭০ সালে ত্রিপুরার জেলার দাউদকান্দি থানার সাথে যুক্ত হয়। ১৮৭০ সালে নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী ও কয়েকজন জমিদার মিলে ত্রিপুরা জেলা পঞ্চায়েত গঠন করেন এবং তিনি পঞ্চায়েত প্রধান হন।১৮৮৬ সালে সকল জেলায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রধান হন এবং সরকারী কিছু কর্মকর্তা ও পঞ্চায়েতদের সমন্বয় জেলা পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হয়।জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রধান হলে সহ-সভাপতি হন নবাব নোয়াব আলী চৌধুরী। ১৯২০ সালে জেলা বোর্ড হয় এবং ১৯২৫ সাল থেকে সরকারি কর্মকর্তা ব্যতীত জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান
দাউদকান্দি, হোমনা,মুরাদনগর, বাঞ্ছারামপুর, মতলব ও কচুয়া থেকে ১৯৩৭,১৯৪৬ সালে এমএলএ নির্বাচিত হয়েছিলেন নবাব আব্দুল জলিল।
তিনি ১৯৫৪ সালে দাউদকান্দি ও হোমনা থেকে এমএলএ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন পর্যন্ত গজারিয়া দাউদকান্দি থানা ত্রিপুরা(কুমিল্লা) জেলার অধিভুক্ত হন।
তৎকালীন সময়ে ১৯৫৪ সালে প্রদেশিক পরিষদ, ১৯৫৫ সালে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে গজারিয়া অংশে রাস্তা নির্মাণ ও প্রসস্থ করণে কাজ করেন।তৎকালীন সময়ে আইজিপি এএইচএম শামসুদ দোহার সাথে কথা বলে ১৯৫৬ সালে কম সংখ্যাক জনসংখ্যা থাকা সত্তেও গজারিয়া কে পূর্নাঙ্গ থানায় পরিনত করতে সক্ষম হন এবং মুন্সিগঞ্জের সাথে যুক্ত করেন।তিনি তখন গণপূর্ত ও যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন।
নবাব আব্দুল জলিল ১৯৬২ ও ১৯৬৫ সালে মুন্সিগঞ্জ জেলা থেকে মৌলিক গনতন্ত্র পদ্ধতিতে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
গজারিয়া থানা ১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় রুপান্তরিত হয়। এই উপজেলায় মোট ৮টি ইউনিয়ন, ১১৪টি মৌজা এবং ১২০টি গ্রাম রয়েছে।
ইউনিয়নগুলো হলো:টেংগারচর,বালুয়াকান্দি,ভবেরচর,বাউশিয়া,গজারিয়া,হোসেন্দী,ইমামপুর,গুয়াগাছিয়া